নগরবাসীকে উন্নয়ন ও কাঙ্খিত সেবা দিতে পারেনি বিএনপি -খালেক

Tiger Logo T
নিজস্ব প্রতিবেদক

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বয়স ২৮ বছর পার হলেও অধিকাংশ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে নগরবাসী। অধিকাংশ সময় মেয়রের দায়িত্বে বিএনপির প্রার্থী। নগরীতে জলাবদ্ধতা, মশার উৎপাত, যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা, দুর্গন্ধ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা। কারণ বিএনপির মেয়র থাকায় সিটি কর্পোরেশন দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। ফলে কোন উন্নয়ন ও কাঙ্খিত নাগরিক সেবা দিতে পারেনি বিএনপি।
রোববার সকালে দৌলতপুরে পৃথক তিনটি মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। সকাল ৮টায় তিনি দৌলতপুর থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের মহসিন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে মতবিনিময়, পরে সরকারি দৌলতপুুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মতবিনিময়, মহসিন মোড়, সাতক্ষীরা রোডে গণসংযোগ ও বৃহত্তর মহেশ্বরপাশা জেনারেশন-২ এ মতবিনিময় করেন। এসময় তালুকদার খালেক সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাকে মেয়র নির্বাচিত করার পর মাত্র ৫ বছরে দৃশ্যমান অসংখ্য উন্নয়ন হয়েছে। রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বেশ সাফল্য অর্জিত হয়েছিল।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই সময় স্বল্প মেয়াদী প্রকল্পের কাজগুলি শেষ হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের কয়েকটি কাজ চলছিল ছিল। মহানগরীকে পরিকল্পিত ও উন্নত নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম। কারণ সে সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনা সিটি কর্পোরেশনে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দিয়েছিলেন।
বিএনপির প্রার্থীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০১৩ সালে বিএনপি প্রার্থী পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছে। গত ৫ বছরে দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করতে পারেনি তিনি। একটু বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় মহানগরীর অধিকাংশ এলাকা। আজ আমরা সকল নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। মশার অত্যচারে অতিষ্ঠ নগরবাসী। অধিকাংশ সড়কের বেহাল দশা। উন্নয়নের স্বার্থে ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে দল-মতের উর্ধ্বে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
এসকল কর্মসূচিতে মেয়র প্রার্থীর সাথে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)’র খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম খোকন, নগর আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, বিজেএ’র চেয়ারম্যান ও দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সৈয়দ আলী, বিজেএ’র সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব শেখ মজনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহীন জামাল পন, খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, কেসিসির সাবেক প্যানেল মেয়র মনিরুজ্জামান খান খোকন, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ সেলিম, মহসিন স্কুলের সভাপতি কামাল উদ্দিন বাচ্চু, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহাদাৎ মিনা, ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাষ্টার আব্দুস সালাম, দৌলতপুর থানা পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়াহিদুর রহমান, সরকারি মহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি শহিদুল ইসলাম জোয়ার্দার, প্রধান শিক্ষক কাজী করিম উদ্দিন জিকু, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মফিজুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ হাসান টিকু, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বিএফইউজে’র যুগ্ম মহাসচিব মোজাম্মেল হক হাওলাদার, নগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, যুবলীগ নেতা রানা পারভেজ, দৌলতপুর ইজিবাইক সমিতির সভাপতি মকবুল হোসেন, মহিলানেত্রী ফারহানা পারভেজ লিপু, মো. রুহুল আমিন, শ্রমিক নেতা আ: কাদের মাষ্টার, রাজিউদ্দিন রাজু, গাজী নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, কামাল ঢালী, শেখ শওকত, আলী আকবর মন্টুসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবন্দ।

আপনার মতামত



close