সুন্দরবনে অবাধে রেনু পোনা আহরণ

Tiger Logo T
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী খাল থেকে অবাধে গলদা চিংড়ির রেনু পোনা আহরণ করছে জেলেরা। কোন ধরণের পারমিট ছাড়াই বন কর্মকর্তাদের উৎকোচের বিনিময়ে তারা পোনা আহরণ করছেন। তবে বর্তমানে নদীতে রেকর্ড পরিমান রেনু পোনার দেখা মেলায় খুশি জেলেরা।
জেলেদের সূত্র জানান, পশ্চিম বন বিভাগের গেওয়াখালি, আন্দারমাানিক, ভোমরখালি, পাথকষ্টা, বজবজা, আড়ূয়া শিবসা, বাটলুু, নোটাবেকি, দোবেকি, জামতলা, আগুনজ্বালা, টেংরাখালি, মার্কি, পাশাখালি, আদাচাকি, কালিখাল, ফুলতলা, কলাগাছি, ডাগরা ও দুধমুখীসহ বনের নদী খালে শত শত জেলে এখন রেনু পোনা আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ কাজে একজন জেলে বড় নেটের জালে ব্যবহার করতে বড় সাইজের ৩টি সুন্দরী কাঠ বন থেকে কেটে নিচ্ছে। একটি জেলে নৌকার অনুকুলে ৩টি সুন্দরী কাঠের জন্য দেড় হাজার টাকা উৎকোচ দিতে হচ্ছে ফরেষ্ট ষ্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে কর্মরত বনরক্ষীদের। এভাবে লাখ লাখ টাকা মূল্যের সুন্দরী গাছ দেদারসে কেটে নিয়ে ব্যবহার করছে পোনা ধরার জেলেরা। পোনার পারমিট বন্ধ তাই বিনা পাশ পারমিটে রেনু আহরনের সুযোগ করে দেওয়ায় জেলেদের ষ্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে চুক্তি অনুযায়ি টাকা দিতে হয়।
জোড়শিং গ্রামের পোনা ধরার জেলে ছালাম মোল্লা জানান, প্রতি গোনে ষ্টেশনে ৫শ’ টাকা ও টহল ফাঁড়িতে ৩শ টাকা দিয়ে রেনু ধরি। ৪নং কয়রার জেলে খোকন গাজী জানান, বনরক্ষীদের টাকা দিয়ে রেনু পোনা ধরি, তাই পাশ পারমিটের কোন প্রয়োজন পড়ে না।
খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ শোয়াইব খাঁন বলেন, লোকালয় সংলগ্ন নদীতে অনেক আগে থেকে মুষ্টিমেয় জেলে পোনা ধরে আসছে। বনের ভেতরে কেউ রেনু পোনা আহরণ করছে কি-না জানা নেই। তবে সন্ধান পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত



close