রামপাল স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রের বেহাল

Tiger Logo T
নিজস্ব প্রতিবেদক

রামপাল উপজেলা সদরে অবস্থিত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রটি সংস্কার ও উন্নয়নের অভাবে চরম বেহাল দশা বিরাজ করছে। সরকারী চেরিটেবল ডিসপেন্সারী হিসেবে প্রথমে এর যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিশেষ এ স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রটি সদর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র হিসেবে কাজ শুরু করে।
জানা গেছে, বাগেরহাট জেলায় এ ক্যটাগরির ৮ টি স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র রয়েছে। এগুলো হলো রামপাল সদর, ফকিরহাটের নওয়াপাড়া, বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর ও বিষ্ণুপুর, কচুয়ার মগিয়া ও গোয়ালমাঠ, মোরেলগঞ্জের দৈবজ্ঞহাটি, শরনখোলার তাফালবাড়ি স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র। এর মধ্যে রামপাল সদর স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রটি বাদে বাকী ৭ টি উপ-কেন্দ্রেরই ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। একই বৈশিষ্টধর্মী হওয়া স্বত্ত্বেও রামপাল স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রটিতে কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
বিধি অনুযায়ী এ স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রের জনশক্তি থাকার কথা ৫ জন। এর মধ্যে রয়েছে ১ জন মেডিকেল অফিসার, উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার ১ জন, ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট ১ জন, অফিস সহকারী ১ জন, পিওন ১ জন। এর মধ্যে বহু বছর ধরে এখানে মেডিকেল অফিসারের পদটি শূণ্য রয়েছে। কদাচিৎ ২/১ জন যোগদান করলেও অল্প দিনের মধ্যেই অন্যত্র বদলী হয়ে চলে গেছেন। রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি রামপাল সদর থেকে ৫ কিলো মিটার দূরে ঝনঝনিয়ায় অবস্থিত হওয়ায় রামপাল উপজেলা সদরে কোন মেডিকেল অফিসার অবস্থান করেন না। স্বাস্থ্য সেবা বঞ্চনার ক্ষেত্রে এটিকে একটি বিরল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করছেন এলাকাবাসী। বর্তমানে ১জন উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ১ জন ডিপ্লোমা ফার্মাসিষ্ট দিয়ে কোন মতে খুড়িয়ে খুড়িয়ে এর কার্যক্রম চলছে। ভবনটি সংস্কারের অভাবে প্রায় পরিত্যক্ত ও মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত



close