হাসিনা-মোদি বৈঠকে ডাক পাচ্ছেন মমতা

টাইগার নিউজ

image-24810আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়াদিল্লি সফরের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সেখানে আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ স্বীকার করে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসলে এই সফর বাড়তি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

৭ এপ্রিল তিনদিনের ভারত সফরে যাবেন শেখ হাসিনা। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, সফর কালে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নয়াদিল্লিতে আমন্ত্রণ জানাবে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও রয়েছে মেঘালয়, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে হাসিনা-মমতার সম্ভাব্য বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশে বিপুল জয়ের পরে নরেন্দ্র মোদি এখন অনেক বলীয়ান। তিস্তার পানি বণ্টন প্রশ্নে মমতাকে নরম করার সুযোগও তৈরি হয়েছে। এই কারণে ঢাকার প্রত্যাশাও বেড়েছে বহুগুণ।

তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই আমন্ত্রণ স্বীকার করে শেষ পর্যন্ত দিল্লি যাবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সূত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার সফরের এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি। আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও এখনও আসেনি। ফলে এখনই এ নিয়ে মন্তব্য করার সময় আসেনি।

যদিও অনেকে মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লি এসে হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করার সুযোগকে কৌশলগত ভাবে কাজে লাগাতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে বলা হয়, এখনই তিস্তা চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি ঠিকই, কিন্তু দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হবে। পাশাপাশি এই চুক্তিতে মমতা-হাসিনা মুখোমুখি বসলে অনেকটাই ইতিবাচক বার্তা দেওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের সময়েও মমতা দিল্লিতে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। শাড়ি উপহার নিয়ে দেখা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেকা করেছিলেন।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

আপনার মতামত



close