যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষককে গণধোলাই

টাইগার নিউজ

ca_111714দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শহরের ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষককে স্কুলমাঠে গণধোলাই দিয়েছে ছাত্রী ও অভিভাবকরা।

এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ছাত্রীরা।

বিক্ষোভ চলাকালে বিক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলীকে মাঠে এনে গণধোলাই দেয়।

খবর পেয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম মাহমুদুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনজুমান আরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ ওই স্কুলে যান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিদ্যালয়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বেলা একটায় পুলিশ প্রহরায় শিক্ষক আহাদ আলীকে বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়।

ছাত্রীদের অভিযোগ, গত ৩০ এপ্রিল শুক্রবার শিক্ষক আহাদ আলীর বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয় এক ছাত্রী। ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে অভিভাবক ও পরদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানান। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ছাত্রীরা আন্দোলনে নামে।
এ ব্যাপারে ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, ওই ছাত্রী লিখিত কোনো অভিযোগ না দেয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আনজুমান আরা বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
তবে যৌন হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষক আহাদ আলী দাবি করেন, ওই স্কুলছাত্রীর বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোজাম্মেল হক জানান, ওই বিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আহাদ আলীকে পুলিশ প্রহরায় বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত



close