বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে

টাইগার নিউজ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, শুধু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। রফতানিকৃত মাছে কোন অপদ্রব্য আছে কিনা সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে, কারণ এ সাথে দেশের স্বার্থ জড়িত।
প্রতিমন্ত্রী আজ সকালে খুলনা আভা সেন্টারে ‘অ্যাকোয়াকালচার মেডিসিনাল প্রোডাক্ট নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা’ বিষয়ক অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। মৎস্য অধিদপ্তর ও বেস্ট প্রজেক্ট-বেটার ফিশারিজ কোয়ালিটি, ইউনিডো এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশিকাটি অ্যাকোয়া মেডিসিনের নিবন্ধন, উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ, খুচরা বিক্রয় এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণশারী সংস্থা, উৎপাদনকারী, আমদানিকারক, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা, মৎস্য বিষেষজ্ঞ এবং ব্যবহারকারীগণকে অনুসরণীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আন্তর্জাতিক বাজারে মাছের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে মানসম্মন্ন মাছ উৎপাদনের পাশাপাশি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। এটি নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ মাছ রপ্তানিতে এগিয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে এবং উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশে পরিণত হবে।
মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিত্যরঞ্জন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক মোঃ মনিরুজ্জামান, খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ এর উপপরিচালক প্রফুল্ল কুমার সরকার, বিএফএফইএ’র সহসভাপতি মোঃ আব্দুল বাকী এবং উপপরিচালক ড. গোলজার হোসেন প্রমূখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেস্ট প্রজেক্ট-এর প্রকল্প পরিচালক ড. সালেহ আহমেদ।
অবহিতকরণ সভায় জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৎস্য হ্যাচারী, মৎস্য চাষী, এবং ড্রাগ এসোশিয়েসনের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
দুপুরে তিনি পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির আওতায় ডুমুরিয়ার সাহস ইউনিয়নের লতাবুনিয়া, বাঁশতলা, দিঘলিয়া, গোনাইমারী, খুটাখালী এবং ছোটবন্দ গ্রামে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১কিলোমিটার বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের উদ্বোধন করেন। এর ফলে তিনশ ৭৭ টি পরিবারের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ উৎপাদন তিন হাজার মেগাওয়াট থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে।
বিকেলে প্রতিমন্ত্রী ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ডুমুরিয়া পূজা উদযাপন পরিষদ, পূজা মন্দির কমিটি এবং আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন পূজা মন্ডপের প্রতিনিধিদের মাঝে অনুদান প্রদান করেন।

আপনার মতামত



close