ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব, দুরীকরন

টাইগার নিউজ

Vitamin-A-+-300x250৫ এপ্রিল শনিবার  জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল  খাওয়ানোর জন্য আপনার ৬ – ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। সকল টিকাদান কেন্দ্র সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে যদি কোন শিশু গত ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে থাকে

তবে সেই শিশুকে ক্যাম্পেইনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। আপনি যেখানেই থাকুন না কেন দেশের যেকোনো টিকাদান কেন্দ্র থেকে আপনার

শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল নিরাপদ, এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি নেই। ভ্রমনে থাকাকালীন সময়েও রেল ষ্টেশন, বাসষ্ট্যান্ড, লঞ্চ টার্মিনাল, ফেরী ঘাটে

অবস্থিত টিকা কেন্দ্র হতে আপনার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ।

  • ভিটামিন এর যথাযথ চাহিদা নিশ্চিতকরণ
  • শিশু বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় খাবার নিশ্চিতকরন (বিশেষত বুকের দুধ এবং পুষ্টিকর খাবারসমুহ )
  • পারিবারিকভাবে ভিটামিনসমৃদ্ধ খাদ্য অভ্যাস তৈ্রীকরন
  • বাড়ীতে শাকসব্জির বাগান খামার তৈ্রীতে উৎসাহিতকরন
  • দৈনন্দিন খাদ্য সমূহের মান উন্নয়ন

 

ক্যাম্পেইনের পূর্ব পরিকল্পনা

) এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা

                   – জাতীয় এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা

                   – বিভাগীয় এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা।                                      

সিটি কর্পোরেশন এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা

                   – জেলা এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা।                                   – উপজিলা/পৌ্রসভা এডভোকেসী পরিকল্পনা সভা

                   – জাতীয় প্রেস ব্রিফিং

                   – সিটি কর্পোরেশন প্রেস ব্রিফিং

                   – জেলা প্রেস ব্রিফিং

 

ক্যাম্পেইনের পূর্ব পরিকল্পনা

) প্রশিক্ষন

                   (স্বাস্থ্য কর্মী, ওয়ার্ড পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী)

 

) মাইক্রোপ্লানিং

                   (স্থানীয় ব্যবস্থাপকগন, সরকারী টিকাদান কর্মী এবং এন,জি, কর্মীদের সমন্বয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা তৈ্রী করা)

) আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ

                   (স্বেচ্ছাসেবী এন,জি, কর্মীদের সহায়তায় মাঠ কর্মীগন বাড়ী বাড়ী রেজিস্ট্রেশন/পরিদর্শনের সময় ৫৯ বয়সী সকল শিশুর মাতাপিতার সাথে মূল তথ্য প্রদান করবেন)

) মাইকিং

                   ( দিন আগে থেকে মোবাইল মাইকিং করতে হবে। তাছাড়া মসজিদ, মন্দির, গির্জা অন্যান্য ধর্মীয় উপসনালয়ের মাইকের মাধ্যমে জনসাধারনকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা যাবে)

 

ক্যাম্পেইনের দিনে পরিচালিত টিকাদান কেন্দ্র সমুহ

  • গ্রাম এলাকায় প্রতি ওয়ার্ডে টি অস্থায়ী নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রে ( সিটি কর্পোরেশন পৌ্র এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ) ০৫ এপ্রিল ২০১৪ শনিবার এই ক্যাম্পেন চলবে
  • সকল কেন্দ্র সকাল টা থেকে বিকাল টা পর্যন্ত অবশ্যই খোলা রাখতে হবে
  • ভৌগলিকজনস্ংখ্যারভিত্তিতে, এমনকিভ্রমনেথাকাশিশুরাওযেনবাদনাযায়সেজন্যঅতিরিক্তকেন্দ্রের (রেলষ্টশন, বাসস্ট্যান্ড, ফেরিঘাট, লঞ্চটার্মিনালইত্যাদি) ব্যবস্থাকরতেহবে

 

খুলনা জেলার সংক্ষিপ্ত তথ্য সমূহ

) ওয়ার্ড সংখ্যা২০৬ টি ( পুরাতন )

) টিকাদান কেন্দ্রের সংখ্যা১৮৭৯ টি

                   – নিয়মিত কেন্দ্র১৬৬৩ টি,

                   – স্থায়ী কেন্দ্র০৯ টি,

                   – অতিরিক্ত কেন্দ্র১২৫ টি,

                   – দূর্গম কেন্দ্র৮২ টি

) ) মোট স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা৮১৬২ জন

) মোট টিকাদানকারীর সংখ্যা১৮৭৯ জন

) মাঠকর্মীর সংখ্যা৬১৩ জন

) মোট তদারককারীর সংখ্যা

                   ) প্রথম সারির২৩৮ জন

                   ) দ্বিতীয় সারির৭৫ জন

 

মোট  লক্ষমাত্রা

                   * বছর বয়সের শিশু সংখ্যা১৬০০২৪ জন,

                   * ১১ মাসের বয়সের শিশু সংখ্যা১৯০৮৭ জন,

                   * বছর বয়সের শিশু সংখ্যা১৩৪৪৫৯ জন,

                   * প্রসূতি  মা প্রায়  ৩২০০০ জন,

 

ক্যাম্পেইন চলাকালীন অত্যাবশ্যকীয় সতর্কতাগুলি লক্ষনীয়

  • ভিটামিনক্যাপসুল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর্মী/এন,জি, কর্মী দ্বারা খাওয়াতে হবে
  • ভিটামিনক্যাপসুলের মুখ কাঁচি দিয়ে কেটে ভিতরের তরল অংশ খাওয়াতে হবে
  • কোনো অবস্থায় শিশুকে আস্ত বা গোটা ভিটামিনক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না
  • সবগুলো ভিটামিনক্যাপসুল একসাথে কেটে রাখা যাবে না

 

ভিটামিনদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়তাই আসুন আমরা সবাই এই বিষয়ে জানি,এবং সকলকে জানতে সাহায্য করি

 

ভিটামিনএর অভাব জনিত সমস্যা প্রতিরোধে মূল পুষ্টি বার্তাগুলি নিন্মরুপ

  • জন্মের সাথে সাথেই (এক ঘন্টার মধ্যে) নবজাতককে শালদুধসহ মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন। মধু, চিনি, চিনির পানি ইত্যাদি শিশুকে মাস পর্যন্ত খাওয়ানো যাবে না
  • জন্মের পর প্রথম মাস (১৮০ দিন) শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ান
  • শিশুর বয়স মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত পুষ্টিসম্পন্ন পারিবারিক পরিপূরক খাবার খাওয়ান
  • গর্ভবতী প্রসূতি মাকে তার পুষ্টি শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে ভিটামিনসমৃদ্ধ রঙিন শাকসব্জি এবং ফলমুল খেতে দিন
  • জে্রোফথ্যালমিয়া (রাতকানা, বিটটস স্পট), দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, হাম, মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিনক্যাপসুল খাওয়ান

আপনার মতামত



close